দেশের স্বাস্থ্য খাতে নতুন প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নতুন নেতৃত্বের আগমনে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সংগঠক জনাব জাহিদ রায়হান।

স্বাস্থ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পদে অভিজ্ঞ ও দক্ষ দুই চিকিৎসকের দায়িত্ব গ্রহণকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, পেশাগত অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন গতি ও ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগে শিক্ষকতা ও চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। একজন দক্ষ সার্জন ও অভিজ্ঞ শিক্ষক হিসেবে তিনি চিকিৎসা শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত দক্ষতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া জনাব জাহিদ রায়হান চিকিৎসক সমাজে একজন মানবিক ও নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি তিনি চিকিৎসক সংগঠনের একজন সুপরিচিত নেতা। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাসেবা, পেশাজীবী সংগঠন এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি স্বাস্থ্য প্রশাসনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং সেবার মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে।

এমন বাস্তবতায় অভিজ্ঞ দুই চিকিৎসক ও প্রশাসকের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নতুন উদ্যমে কাজ করবে এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের সমন্বিত নেতৃত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও কার্যকর, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

By Special Correspondent

বিশেষ প্রতিবেদক:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *