আমরা মাঠ পর্যায়ের প্রকৃত সার ব্যবসায়ী, যারা ২০০৯ সাল থেকে সরকারি অনুমোদন ও কার্ডধারী খুচরা বিক্রেতা হিসেবে নিয়োজিত আছি। বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ৪৪,০০০ খুচরা বিক্রেতা দেশের প্রায় ৫ কোটি কৃষকের দোরগোড়ায় নিরবচ্ছিন্নভাবে সার পৌঁছে দিয়ে আসছি। কৃষির উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা লাখ লাখ টাকা কৃষকদের বাকিতে সার দিয়ে সহায়তা করেছি।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ নীতিমালা’ চালুর মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের এই বৈধ কর্মসংস্থানকে হুমকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এই নীতিমালায় ৪৪,০০০ অনুমোদিত কার্ডধারী বিক্রেতাকে বাতিল করা হয়েছে, যা আমাদের এবং আমাদের সাথে জড়িত লাখ লাখ কর্মচারী ও পরিবারের ওপর এক চরম আঘাত।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সদয় অবগতির জন্য আমাদের বর্তমান দুরবস্থার কথা তুলে ধরছি:
১. কৃষকের পাওনা: বছরের পর বছর কৃষকদের মাঝে আমাদের লাখ লাখ টাকা বকেয়া পড়ে আছে। হঠাৎ এই পেশা বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের এই মূলধন উদ্ধার করার কোনো পথ থাকবে না।
২. ঋণের বোঝা: আমাদের অধিকাংশ ব্যবসায়ী ব্যাংক ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ব্যবসা বন্ধ হলে আমরা ঋণখেলাপি হয়ে পড়ব এবং কোটি টাকার ঋণের দায়ে আমাদের কারাবরণ করতে হতে পারে।
৩. মানবিক বিপর্যয়: এই ৪৪,০০০ পরিবারের সাথে কয়েক লাখ কর্মচারী জড়িত। হঠাৎ নিয়োগ বাতিলের ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ আজ নিঃস্ব ও কর্মহীন হওয়ার পথে।
৪. আন্দোলন ও প্রতিকার: আমরা ইতিপূর্বে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মানববন্ধন এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে কৃষি সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। এমনকি গত ৩ ও ৪ মার্চ ২০২৬ এবং ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা কোনো আশাব্যঞ্জক সাড়া পাইনি।
আবেদন:
আমরা দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে এদেশের কৃষকের সেবা দিয়ে আসছি। জীবনের এই শেষ পর্যায়ে এসে আমরা কোথায় যাব, কী করে খাব—তা নিয়ে আমরা দিশেহারা। আমাদের অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই।
অতএব, আপনার কাছে আমাদের আকুল আবেদন—মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং দেশের কৃষি ব্যবস্থা ও ৪৪,০০০ পরিবারের অস্তিত্ব রক্ষায় উক্ত বৈষম্যমূলক নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করুন। আমাদের বৈধ কার্ড বহাল রেখে পুনরায় ব্যবসা করার সুযোগ দানে আপনার জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করছি।
আপনার মহানুভবতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা আমাদের হাজারো পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সদয় অবগতির জন্য আমাদের বর্তমান দুরবস্থার কথা তুলে ধরছি:
১. কৃষকের পাওনা: বছরের পর বছর কৃষকদের মাঝে আমাদের লাখ লাখ টাকা বকেয়া পড়ে আছে। হঠাৎ এই পেশা বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের এই মূলধন উদ্ধার করার কোনো পথ থাকবে না।
২. ঋণের বোঝা: আমাদের অধিকাংশ ব্যবসায়ী ব্যাংক ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ব্যবসা বন্ধ হলে আমরা ঋণখেলাপি হয়ে পড়ব এবং কোটি টাকার ঋণের দায়ে আমাদের কারাবরণ করতে হতে পারে।
৩. মানবিক বিপর্যয়: এই ৪৪,০০০ পরিবারের সাথে কয়েক লাখ কর্মচারী জড়িত। হঠাৎ নিয়োগ বাতিলের ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ আজ নিঃস্ব ও কর্মহীন হওয়ার পথে।
৪. আন্দোলন ও প্রতিকার: আমরা ইতিপূর্বে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মানববন্ধন এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে কৃষি সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। এমনকি গত ৩ ও ৪ মার্চ ২০২৬ এবং ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা কোনো আশাব্যঞ্জক সাড়া পাইনি।
আবেদন:
আমরা দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে এদেশের কৃষকের সেবা দিয়ে আসছি। জীবনের এই শেষ পর্যায়ে এসে আমরা কোথায় যাব, কী করে খাব—তা নিয়ে আমরা দিশেহারা। আমাদের অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই।
অতএব, আপনার কাছে আমাদের আকুল আবেদন—মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং দেশের কৃষি ব্যবস্থা ও ৪৪,০০০ পরিবারের অস্তিত্ব রক্ষায় উক্ত বৈষম্যমূলক নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করুন। আমাদের বৈধ কার্ড বহাল রেখে পুনরায় ব্যবসা করার সুযোগ দানে আপনার জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করছি।
আপনার মহানুভবতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা আমাদের হাজারো পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।
